জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মনির খান বলেছেন, দেশের শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি নির্বিমানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কাজ করেছেন। তার মৃত্যুতে সংস্কৃতি জগতে অপুরনীয় ক্ষতি হলো।
মঙ্গলবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরের পর গুলশানে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ছুটে যান মনির খান। এসময় তিনি যায়যায়দিনকে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা । বিএনপির সঙ্গে ছিলাম আছি থাকবো।
মনির খান ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৩ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে দল থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। তৎকালীন সময়ে তিনি জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসংস্কৃতি বিষয়ক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
মনির খান বলেন, সব অভিমান ভুলে দলের জন্য কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সম্প্রতি লন্ডন সফরকালে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা হলে তিনি এ নির্দেশনা পান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি লন্ডন গিয়েছিলাম, তখন ভাইয়ার (তারেক রহমান) সঙ্গে কথা হয়। তিনি আমাকে ফোন করেছিলেন। তার সঙ্গে কথা বলার পর সব ধরনের ভুলবুঝাবুঝির অবসান হয়। তাই আমি বিএনপিতে ফিরে এসেছি। আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য গঠিত বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে তাকে রাখা হয়েছে। আমি কাজ করছি।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে মনির খান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। বেগম খালেদা জিয়া জীবনের অধিকাংশ সময় দেশের মানুষের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনতার জন্য, মানবাধিকার ও ভোটাধিকারের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি কারাবরণ করেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন, কিন্তু কখনো আপস করেননি।
তিনি ছিলেন স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক, ঐক্যের প্রতীক। সংগ্রামী, আপসহীন, প্রজ্ঞাবান ও বিচক্ষণ এই নেত্রীর মৃত্যুতে জাতি হারালো একজন অভিভাবক এবং দেশ হারালো একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক। আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত, মর্মাহত ও ব্যথিত।