ঢাকা | মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন

সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৭টি পদে আওয়ামীপন্থীরা জয়ী

author
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত : ১৭ মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৪৭
ad003
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনে ১৫টি পদের মধ্যে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক সহ ৭টি পদে আওয়ামীপন্থী, ৭টিতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ও একটি পদে জামায়াত পন্থী প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

রোববার রাত  দুইটায় ভোট গননা শেষে নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক ফলাফল ঘোষনা করেন।

সভাপতি পদে আওয়ামীলীগপন্থী মফিজুর রহমান বাবুল ৩৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থী আব্দুর রহমান পেয়েছেন ৩১২ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে আওয়ামীলীগপন্থী এ.কে. এম. আব্দুল হাই ৩১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রার্থী আনিসুর রহমান পেয়েছেন ২১৫ ভোট।

নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্যানেল ছিল থাকলেও আওয়ামীলীগপন্থীদেও কোন প্যানেল ছিলো না।

নব-নির্বাচিত সভাপতি মফিজুর রহমান বাবুল বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা  আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং সাধারণ সম্পাদক এ.কে. এম আবদুল হাই সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন ও তিনি আওয়ামী লীগ নেতা।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি প্রার্থী আবদুর রহমান সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সরাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইউসুফ কবির ফারুক, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফাহাদ, কল্যাণ ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক পদে রাকিব হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে আফরোজা বেগম ও সদস্য রেজাউল করিম নির্বাচিত হয়েছেন। তারা সবাই আওয়ামীপন্থী আইনজীবী হিসেবে পরিচিত।

অপর দিকে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি আব্দুল হাকিম, যুগ্ম সম্পাদক-১ মোঃ আলাউদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক-২ মো. জাকির হোসেন অনিক, পাঠাগার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জসিম উদ্দিন, অডিটর মোহাম্মদ আল মামুন, সদস্য আল আমিন ও ফোরকান উদ্দিন জয়লাভ করেছেন। জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে সদস্য পদে মোহাম্মদুল্লাহ জয়লাভ করেছেন।

এর আগে  গত বৃহস্পতিবার জেলা আৃইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েচলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। আইনজীবী সমিতির মোট ভোটার ৬৮৯ জন। এর মধ্যে ৬৫৪জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এরপর ভোট গণনা শুরু হয়। রাত নয়টা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত মোট ২২৫টি ভোট গণনা করা হয়। ভোটারদের ব্যালটপেপার ও মুড়িতে একই ক্রমিক নম্বর উল্লেখ করা  হয়েছে এমন অভিযোগে  সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সুধীর চন্দ্র ঘোষের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার  নির্বাচন ও ভোট গ্রহণ স্থগিত করেন।

রোববার আলোচনাক্রমে পুনরায় ভোট গ্রহনের সিদ্ধান্ত হয়। রাত সাড়ে আটটা থেকে পুনরায় প্রথম থেকে ভোট গণনা শুরু হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT