ঢাকা | শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কসবা উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম-মজলিশপুর এলাকায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দাবি এলাকাবাসীর

author
কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩
ad003
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম ও মজলিশপুর—দুটি ঐতিহ্যবাহী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ গ্রাম, যেখানে মানুষের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ যেমন দৃঢ়, তেমনি শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রতিও রয়েছে গভীর অনুরাগ। এই দুই গ্রামের সংযোগস্থল ব্রাহ্মণগ্রাম-মজলিশপুর চৌরাস্তা বাজারটি ইতোমধ্যেই পার্শ্ববর্তী চক চন্দ্রপুর, চাপিয়া ও দুরুইল গ্রামের মানুষের মিলনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, এত সমৃদ্ধ ও জনবহুল এই এলাকায় এখনো কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ফলে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন দূরবর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। এতে যেমন তাদের সময় ও শ্রম অপচয় হয়, তেমনি অনেক ক্ষেত্রে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিও তৈরি হয়। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য এই দুর্ভোগ শিক্ষার প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দেয় এবং ঝরে পড়ার আশঙ্কা বাড়ায়।

স্থানীয়দের মতে, একটি মানসম্মত মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা শুধু শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘব করবে না, বরং পুরো এলাকার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইতোমধ্যে এলাকার সামর্থ্যবান ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবী এবং প্রবাসী ব্যক্তিরা এ ধরনের একটি উদ্যোগে সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্রয়োজন শুধু একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী নেতৃত্ব, যা এই উদ্যোগকে বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে নিতে পারে।

বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সম্ভাব্য স্থান হিসেবে ব্রাহ্মণগ্রাম-মজলিশপুর ও চাপিয়ার মধ্যবর্তী রেললাইনের পাশের দক্ষিণাংশকে সবচেয়ে উপযোগী বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এই স্থানটি যোগাযোগের দিক থেকে সুবিধাজনক এবং জমির মূল্যও তুলনামূলক কম, যা প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক হতে পারে।

এলাকার সচেতন নাগরিক, শিক্ষানুরাগী, অভিভাবক, প্রবাসী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রতি এলাকাবাসীর জোরালো আহ্বান—সবাই একত্রিত হয়ে “ব্রাহ্মণগ্রাম-মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়” প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। নাম চূড়ান্ত করা না হলেও, লক্ষ্য একটাই—এলাকার শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং নতুন প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা।

শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড—এই বিশ্বাসকে ধারণ করে, আসুন আমরা সবাই মিলে আমাদের এলাকার শিশু-কিশোরদের জন্য একটি স্থায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলি। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সদিচ্ছাই পারে বহুদিনের এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT