জনপ্রিয় অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম ও রোজী সিদ্দিকীকে ছুটি রিসোর্ট কক্সবাজারের উদ্যোগে পডকাস্ট শো 'ছুটির গল্প ' এর শুভেচ্ছা দুত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
গতকাল রোববার (১৭ মে) রাজধানীর হোটেল শেরাটন ঢাকায় আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রথম পর্বেই গুণী শিল্পী দম্পতি সেলিম - রোজী যেন গল্পের জানালা খুলে ধরেন। তাদের দীর্ঘ দাম্পত্য, অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি, দেশ-বিদেশে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা এবং আতিথেয়তা নিয়ে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে পুরো পর্বটি। সঞ্চালনায় ছিলেন আরমান পারভেজ মুরাদ।
শহীদুজ্জামান সেলিম বলেন, “ছুটি কক্সবাজারের প্রতিটি উদ্যোগেই নান্দনিকতার স্পর্শ আছে। তারা যে পর্যটন ও আতিথেয়তায় বহুমাত্রিক ভাবনা নিয়ে কাজ করছে, 'ছুটির গল্প' তারই একটি সুন্দর প্রকাশ। শুভেচ্ছা দূত হিসেবে আমাদের যেভাবে সম্মান জানানো হয়েছে, তাতে আমি সত্যিই আপ্লুত।”
রোজী সিদ্দিকী বলেন, “প্রাণবন্ত এমন একটি আয়োজনে অতিথি হতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। আমরা প্রাণ খুলে গল্প করেছি। আশা করছি, আগামী পর্বগুলোতে দর্শক হিসেবেও দারুণ উপভোগ করবো। ছুটি কক্সবাজারকে ধন্যবাদ এমন একটি উদ্যোগ নেয়ার জন্য। তাদের যে কোন ভালো উদ্যোগের পাশে আছি।”
পডকাস্ট শেষে আনুষ্ঠানিক পর্বে ছুটি কক্সবাজারের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ তারিক মাহমুদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্থপতি মোঃ মিজানুর রহমান সেলিম-রোজীকে উত্তরীয় পরিয়ে শুভেচ্ছা দূত হিসেবে বরণ করে নেন।
চেয়ারম্যান মুহাম্মদ তারিক মাহমুদ বলেন, “প্রিয় আপনজনদের বিনিয়োগে পাহাড় ও সমুদ্রের সন্ধিস্থলে আমাদের প্রকল্পগুলো অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে দ্রুত বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। গুণী শিল্পী শহীদুজ্জামান সেলিম ও রোজী সিদ্দিকী আমাদের শুভেচ্ছা দূত হওয়ায় আমরা সম্মানিত বোধ করছি। আমাদের স্বপ্নের পথে পথচলা আরও বেগবান হলো। আমাদের নির্মানাধীন প্রজেক্টের মধ্যে রয়েছে - ছুটি রিসোর্ট কক্সবাজার, ছুটি বে, ছুটি ভিলা কক্সবাজার, ছুটি রিসোর্ট এন্ড ভিলা কুয়াকাটা এবং এছাড়াও জনপ্রিয় পর্যটন স্থানে যোগ হবে নানা ধরনের রিসোর্ট ও ভিলা প্রজেক্ট।”
‘ছুটির গল্প' প্রসঙ্গে ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্থপতি মো: মিজানুর রহমান বলেন, “ছুটি কক্সবাজারের লক্ষ্যই মানুষের ভ্রমণ, যাপন ও বিনোদনের অংশীদার হওয়া। সে লক্ষ্যেই আমাদের অংশীদারদের পাশাপাশি দেশের নানা ক্ষেত্রের গুণীজন, শিল্পী, স্থপতি, পর্যটন ও হসপিটালিটি অঙ্গনের মানুষদের গল্পে আমরা ‘ছুটির গল্প'কে সমৃদ্ধ করতে চাই। এটি গতানুগতিকভাবে শুধু স্টুডিওতে বন্দী থাকবে না; পাহাড়, সমুদ্র ও অরণ্যেও বিশেষ আয়োজন ও অতিথিদের নিয়ে হাজির হবে।”
গত ১৪ বছর ধরে ছুটি গ্রুপ বাংলাদেশের হসপিটালিটি খাতে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে আসছে। প্রকৃতি-নির্ভর, নিরাপদ ও টেকসই রিসোর্ট অভিজ্ঞতা প্রদানই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছুটি গ্রুপের কো-ফাউন্ডার ও ছুটি কক্সবাজারের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ তারিক মাহমুদ; ছুটি গ্রুপের কো-ফাউন্ডার ও ছুটি কক্সবাজারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্থপতি মো: মিজানুর রহমান; ছুটি গ্রুপের কো- ফাউন্ডার ও ছুটি কক্সবাজারের ডিরেক্টর ফায়সাল আল আসাদুজ্জামান; ছুটি গ্রুপের কো-ফাউন্ডার ও ছুটি কক্সবাজারের ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ আল হারুন শরীফ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছুটি গ্রুপের ছুটি রিসোর্ট গাজীপুর -এর ডিরেক্টর সারফুদ্দিন মাসুম, ছুটি গ্রুপের ডিরেক্টর তামান্না মিম, ছুটি কক্সবাজার -এর ডিরেক্টর রাশেদ মোর্শেদ,ছুটি কক্সবাজারের ডিরেক্টর আস্ফিয়া খাতুন মিলি সহ অন্যান্য আমন্ত্রিত সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ।