জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিএনপি।
শনিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে নজরুলের মাজারে গিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শ্রদ্ধা জানানোর পর ফাতিহা পাঠ ও মোনাজাতে শরিক হন তিনি।
তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক চিত্র নায়ক আশরাফ উজ জামান উজ্জ্বল, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাঈদ সোহরাব, বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) আহ্বায়ক হেলাল খান, সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকন,যুগ্ম আহবায়ক লিয়াকত আলী, জাহিদুল ইসলাম হিটো, প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, এড.ফরহাদ হোসেন নিয়ন, জাসাস ঢাকা মহানগর উত্তরের আনোয়ার হোসেন আনু, জাসাস কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. আরিফুর রহমান মোল্লা , আবদুল জাব্বার ও মকসুদুর রহমান টিপু, ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান আউয়াল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহমেদসহ অনান্যরা।
এ সময় রিজভী বলেন, ‘বিদ্যামান রাজনৈতিক পরিস্থিতি কবি কাজী নজরুল ইসলাম অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, সার্বিকভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁর মানবতার গান, স্বাধীনতার গান, বিপ্লবের গান আমাদের সব সময় প্রাণিত করেছে, আজও করছে। আজও আমরা গণতন্ত্রহারা। ভয়ংকর স্বৈরাচারের কবলে পড়ে রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির মধ্যে আছি। এই পরিস্থিতিতে প্রতিটিক্ষণ, প্রতিটি মুহূর্ত নজরুল আমাদের উদ্ভুদ্ধ করছে।’
তিনি বলেন, ‘নজরুল প্রতিবাদের ভাষায় যে শৈল্পিক নৈপুন্য দিয়ে গেছেন, সেই প্রতিবাদের ভাষাই আমরা রপ্ত করে গণতন্ত্র ফেরানো, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ফেরানো এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার যে লড়াই, সেই লড়াই অব্যাহত রেখেছি।’
রিজভী বলেন, ‘আমরা যখন কারাগারে যাই, তখন নজরুলকে স্মরণ করি। আমাদের যখন বিচার হয়, তখন আমরা নজরুলকে স্মরণ করি। কারণ, অন্য কোনো সামাজিক অপরাধে আমাদের বিচার হচ্ছে না, আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছি, তাই আমাদের বিচার হচ্ছে, সাজা দিচ্ছে। এই উপমহাদেশে প্রথম স্বাধীনতার মন্ত্র নজরুলের কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল বলেই তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। একই কারণে আমাদেরও শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। তাই প্রতিটা মুহূর্তে আমরা নজরুলকে স্মরণ করি,নজরুলের লেখনি দ্বারা অনুপ্রাণিত হই।’