ফরিদপুর জেলার চাঞ্চল্যকর রিক্তা আক্তার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ১ ও ৪ নম্বর পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬, সদর কোম্পানি (ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্প)।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৬ এর একটি আভিযানিক দল গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার কাশিয়ানী বাজার ও ভাট্রাইধোবা এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে গত রাতে মামলার দুই আসামি জুয়েল মীর (২৮) ও রীবা বেগম (৪৭)কে গ্রেফতার করা হয়। তারা ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার বাসিন্দা।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত জুয়েল মীর নিহত রিক্তা আক্তারের স্বামী এবং রীবা বেগম তার শাশুড়ি। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে রিক্তাকে বিভিন্ন সময় নির্যাতন করা হতো। একমাত্র সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে তিনি দীর্ঘদিন এসব নির্যাতন সহ্য করে সংসার চালিয়ে যান।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রিক্তা আক্তার অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় নিহতের বোনের স্বামী হাফেজ আকরাম মাতব্বর বাদী হয়ে বোয়ালমারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় গ্রেফতারকৃত দুইজনসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
সম্পাদনা নোট: মূল প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে “গণধর্ষণ ও হত্যা” উল্লেখ থাকলেও সংবাদে আদালত বা তদন্তে প্রমাণিত নয় এমন অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে উপস্থাপন না করে “মামলার অভিযোগ” হিসেবে উল্লেখ করা উচিত। এতে সংবাদটি আরও পেশাদার ও আইনগতভাবে নিরাপদ হবে।