কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুইদল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ভৈরব বাজার রেলওয়ে জংশন এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এর ফলে ঢাকা- চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা -কিশোরগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।এ পর্যন্ত ৭পুলিশসহ আহত -২০ জন। আজ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- পুলিশ সদস্য সাইফুল ইসলাম, আরএনবি সদস্য মো.মুছা মিয়া।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভৈরব শহরের পঞ্চবটি ও জগন্নাথপুর এলাকার মধ্য ১৫ দিন আগে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধ বাধে। এই ঘটনার জেরে আজ বৃহস্পতিবার বিকালে ভৈরব স্টেশন প্লার্টফম এলাকায় জগন্নাথপুর এলাকার সোহেল মিয়ার ছেলে লিয়ামকে মারধোর করে পঞ্চবটি এলাকার লোকজন। পরে মারধোরের ঘটনায় জগন্নাথপুর ও পঞ্চবটি এলাকার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে পুলিশ, আরএনবি সদস্যসহ ২০জন আহত হয়েছে। এসময় ভৈরব স্টেশনের অদুরে দৌলতকান্দি স্টেশন এলাকায় কিশোরগঞ্জ গামী এগারো সিন্ধুর, ভৈরব রেলওয়ে সেতু এলাকায় ঢাকাগামী মহানগর এক্সপ্রেস, পারবত এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেন আটকা পড়ে। এসময চরম দুর্ভোগে পড়ে কয়েক শতাধিক ট্রেন যাত্রী।
এবিষয়ে ভৈরব রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.সাইদ আহমেদ জানান, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের লোকজনে মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় স্টেশন এলাকায় একাধিক আন্ত:নগর ট্রেন আটকা পড়ে কয়েকশত ট্রেন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়ে। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, সেনাবাহিনী কাজ করছেন।
ভৈরব বাজার রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় পঞ্চবটী ও জগন্নাথপুর মধ্যপাড়া এলাকার কয়েকশ কিশোর-যুবক দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এই সময় কার্যত: আমরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ি। এই কারণে ভৈরবগামী কয়েকটি ট্রেন পূর্ববর্তী স্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ, র্যাব ্র সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।