মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ঘিওর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারীর বাড়ি দৌলতপুর উপজেলায়। কয়েক মাস আগে তিনি এক ইটভাটা শ্রমিকের সঙ্গে নতুন করে সংসার শুরু করেন। সম্প্রতি নতুন স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মায়ের বাড়িতে যান। তবে পরিবার ও স্থানীয় কয়েকজন তাদের সম্পর্ক মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানালে একপর্যায়ে ওই দম্পতিকে সেখান থেকে চলে যেতে হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আশ্রয়ের সন্ধানে ঘিওর উপজেলার বাসুদেববাড়ী এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে। এ সময় গৃহবধূর স্বামীকে জোরপূর্বক বেঁধে ফেলা হয়। পরে তাকে আটকে রেখে ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পরদিন রোববার ভুক্তভোগী নারী ঘিওর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় একজনকে প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় প্রকাশ করেনি।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।