নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালাম এমপি পরিবারের দখলে বন্দর ও শহরের তিনটি হাই স্কুলের সভাপতি পদ। যা এক নায়ক তন্ত্র শাসন ব্যবস্থা বলে মনে হয়। আর এ নিয়ে চিন্তার ভাজ পরেছে জনমতে।
এদিকে আওয়ামীলীগ সরকারের মতো পারিবারিক তন্ত্র শুরু করে দিয়েছে এই পরিবারের সদস্যরা। এ পারিবারিক তন্ত্রের কারণে আওয়ামীলীগকে চরমভাবে লাঞ্ছিত হয়ে ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছে। ঠিক সেই পথে যেন হাটছে বিএনপি সরকারের এমপিরাও।
আর এ নিয়ে রীতিমতো অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন খোদ বিএনপির নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।
এভাবে কালাম এমপির পারিবারিক তন্ত্রকে নীতিহীন কর্মকাণ্ড বলে মনে করছেন অনেকেই।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ -৫ আসনের অন্তর্ভুক্ত নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুলের সভাপতির পদ দখল করে নিয়েছেন এডভোকেট আবুল কালাম এমপির একমাত্র পুত্র আবুল কাউছার আশা, শহরের আরেকটি ঐতিহ্যবাহী হাই স্কুল মর্গ্যান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতির পদ দখলে নিয়েছেন এডভোকেট আবুল কালাম এমপির একমাত্র কন্যা এডভোকেট সামসুন নুর বাঁধন, আর বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকার ঐতিহ্যবাহী নবীগঞ্জ গার্লস হাই স্কুলের সভাপতির পদ দখল করে নিয়েছেন আবুল কালাম এমপির পুত্র আবুল কাউছার আশার স্ত্রী ইফফাত আরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,কালাম এমপি নিজেকে ক্লিনম্যান রাজনীতিবিদ দাবী করলেও পারিবারিক তন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবার উপরে।
বিগত আওয়ামী লীগের এমপিরা সারাদেশে পারিবারিক ও দলীয়করণ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন লাভজনক প্রতিষ্ঠান দখল করে নিয়ে নেয়। আর সেই খেলায় মেতে আছেন নারায়ণগঞ্জ - ৫ আসনের সংসদ সদস্য এমপি আবুল কালামের পরিবার।