শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে নবগঠিত জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি। শ্রদ্ধা জানানোর পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নবগঠিত যুবদল কমিটি সারা দেশে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
শনিবার রাজধানীর জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটির এটিই ছিল প্রথম কর্মসূচি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন। এই কমিটির মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল নতুন উদ্যমে সারা দেশে আরও শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ‘বাংলাদেশ সবার আগে বাংলাদেশ’ এই ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজ আমরা যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতাদের নিয়ে আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে এগিয়ে নেওয়া আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি। এখানে আমরা দোয়া করেছি, আল্লাহ তাআলা যেন যুবদলের এই কমিটিকে শক্তি, সাহস ও তৌফিক দান করেন, যাতে তারা সারা দেশে যুবদলকে একটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে পারে এবং দেশের কল্যাণে কাজ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো, যুবক ও তরুণদের সামনে নিয়ে আসা। কারণ তারুণ্যের হাতেই বাংলাদেশের উন্নয়ন নির্ভর করছে। নতুন কমিটির ওপর অর্পিত দায়িত্ব তারা সফলভাবে পালন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।নতুন বাংলাদেশের নেতা ও ডায়নামিক লিডার তারেক রহমানের নেতৃত্বে যুবদলের নতুন নেতৃত্ব সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এবং দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করবে।’
এদিন রাজধানীর জিয়া উদ্যানে বেলা সোয়া ১১টার দিকে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়াও ঢাকা মহানগর ও বিভিন্ন জেলা ইউনিটের হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।
যুবদলের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর প্রথম বড় কর্মসূচি হওয়ায় রাজধানীর জিয়া উদ্যানে যুবদলের নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। কর্মসূচিতে অংশ নিতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণসহ দেশের বিভিন্ন জেলা, মহানগর ও ইউনিটের নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা নিয়ে জিয়া উদ্যানে আসেন। সবার মধ্যে ছিল বাড়তি উৎসাহ-উদ্দীপনা। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সমাধিস্থল এলাকায় মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। হাজার হাজার নেতাকর্মী জিয়া উদ্যানের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- যুবদলের সাাবেক সভাপতি বরকত উল্লা বুলু, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা যুবদলের সাবেক সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক ও এমপি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন, রেজাউল কবীর পল, জিয়াউর রহমান জিয়া, কামাল আনোয়ার আহাম্মদ, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল,শাহ আলম চৌধুরী , সাইদুর রহমান, সাব্বির আহমেদ দিপু , আবদুল জব্বার খান, রফিক আহমেদ ডলার, সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু, মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ, মাহমুদুস সালেহীন, আতিকুর রহমান আতিক, জাকির হোসেন উজ্জল, এইচ এম তসলিম উদ্দিন, নাজমুল আলম নাজু, মো. আনোয়ারুল হক, আবু সাঈদ আহমেদ , রহিম উদ্দিন, ফেরদৌস আহমেদ মুন্না, তরিকুল ইসলাম টিটু, ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, মঞ্জুরুল আজিম সুমন, আজিজুর রহমান আকন্দ নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে) বিল্লাল হোসেন তারেক, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান , মনিরুল ইসলাম সোহাগ, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, শাহ নাসির উদ্দিন রুমন, কফিল উদ্দিন ভূইয়া, মঈনুদ্দীন রুবেল, আজহারুল ইসলাম মিলন, এজমল হোসেন পাইলট, ইখতিয়ার রহমান কবির, রবিউল ইসলাম নয়ন, সাজ্জাদুল মিরাজ, মিঞা মোহাম্মদ রাসেল, আবদুল করিম সরকার, শফিকুল ইসলাম শফিক, গোলাম মোস্তফা, আবুল মনসুর খান দীপক, খন্দকার আল আশরাফ মামুন, আইয়ুব খান, শামসুজ্জোহা সুমন, তারেক উজ জামান তারেক, শোয়াইব খন্দকার, আশরাফুর রহমান বাবু, আসাদুজ্জামান আসাদ, মো. আবদুল ওয়াহাব, হারুন অর রশীদ হিরো, এম তমাল আহমেদ সাজেদুল ইসলাম, হাসান আল মামুন লিমন, মাসুদ খান পারভেজ, এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল, মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ, গিয়াসউদ্দিন মামুন, মামুন হোসেন ভূইয়া, রাহাদুল আলম খান, রুহুল ইসলাম মনি, জাহিদ হাসান, আবু বকর সিদ্দিক পাভেল, খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন, সাখাওয়াত হোসেন চয়ন, মাহবুবুর রহমান পলাশ, আরিফুল হক আরিফ, প্রকৌ: কামরুল হাসান খান সাইফুল, মাহবুবুর রহমান, আলমগীর কবির সেলিম, মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ, এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল, মোঃ মাসুদুল হক, সাহাবুদ্দিন মুন্না, সামসুল আলম রানা, আবুল বাসার সিদ্দিকী, মাহবুব শিকদার, মহসীন বিশ্বাস, জহিরুল ইসলাম বিপ্লব, রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু, আমিনুল ইসলাম খান, কামরুজ্জামান জুয়েল, এম এ গাফফার, আশরাফ ফারুকী হীরা, মিজানুর রহমান সুমন, হাবিবুর রহমান হাবিব, সোহেল আলম, মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন, সাইদুর রহমান শামীম, রবিউল ইসলাম রবি, আরিফুর রহমান সোহেল, মাইনুল ইসলাম, খন্দকার রিয়াজ, মোঃ রাশেদুল ইসলাম রিপন, আল মেহেদী তালুকদার, তারেকুর রহমান, আশরাফ জালাল খান মনন, সাইদুর রহমান সোহেল, আমিনুর রহমান আমিন, রোকনুজ্জামান রোকন, অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক, অ্যাড. ইউনুস আলী রবি, অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ, অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল, অ্যাড. গাজী মোঃ মাসকুরুল আলম সৌরভ, কৃষিবিদ সানোয়ার আলম, আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন, পার্থ দেব মন্ডল, কারীমুল হাই নাঈম, সাজিদ হাসান বাবু , আনোয়ার হোসেন জনি, মোঃ মেজবাহউদ্দিন মেজু, মাজেদুল ইসলাম রুমন, মহিন উদ্দিন রাজু, সাইদুর রহমান রয়েল, মাহমুদুল হাসান বাপ্পী, খোরশেদ আলম, মোস্তাফিজুর রহমান, কামরুজ্জামান নান্ন, সৈয়দ মাহমুদ, আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার, খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী, মোঃ বেলাল হোসেন, কে এস এম মুসাব্বির শাফী, ইমরান আহমেদ প্রিন্স, সম্পাদক শাহজাহান রনি।
ডা. গালিব হাসান, ডা. বেলাল হোসেন নাজিম, ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন, ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল, মোঃ জাহিদ হাসান, খায়রুজ্জামান লিঙ্কন, এ আর মামুন খান, মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ, এ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার, হেদায়েত হোসেন ভূইয়া, রাশেদ আল আমিন শুভ। আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ, নাজিম উদ্দিন মিঠু, মাহমুদুল করিম সজল, সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন, মো. এমরান হোসেন শাহীন ও ফখরুল বিন খালেক প্রমুখ।