পরিবার তাকে খুঁজে না পেয়ে চারদিকে হাহাকার শুরু করে। ভ্যানচালক বাবা আবুল কালামের মোবাইলে যখন খবর যায় যে তার ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করে বাওড়ের কচুরিপানার নিচে ফেলে রাখা হয়েছে, তখন তার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যায়।
ঠিক সেই মুহূর্তে বাওড়ের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এক ভ্যানচালকের চোখে পড়ে কচুরিপানার সামান্য ফাঁকে ভেসে থাকা একটি ছোট্ট শিশুর মুখ। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ছুটে আসেন এবং কচুরিপানা সরিয়ে জাহিদকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে স্বজনরা দ্রুত তাকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, যেখানে বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এই রোমহর্ষক ও নৃশংস ঘটনার পর এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে মাদকাসক্ত হৃদয় ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে অতি দ্রুত কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।