স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে বলেছেন, এই সড়ক নিয়ে প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রকাশিত হলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে। প্রধানমন্ত্রীর নোটিশে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পরিদর্শনে এসেছি। পরিদর্শনে এসে যেটা দেখলাম সড়কের তিন কিলোমিটার খালপাড় হয়ে গেছে। খালের ৮৩ মিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিচের দিকে মাটির দুর্বলতা থাকার কারণে সড়কের এই অংশ ধসে গেছে।"
তিনি আরও বলেন," পাশেই কবরস্থান। এটা সরানো যেতো। হাদিস কোরআনে আছে। একই সাথে জমি অধিগ্রহণ সম্ভব ছিলো। কিন্তু আশপাশের সবাই প্রভাবশালী। তারা হয়তো গাছ কাটতে দেয়নি। যার দরুন পরিকল্পনা সঠিক করতে পারেনি এলজিইডি। আমরা নতুন করে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি সড়কটি মজবুত ভাবে নির্মাণ করা হবে।'
শনিবার বিকালের দিকে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের রাজাবাড়ি দমদমা সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত পাকাসড়ক পরিদর্শন শেষ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন, স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আসলে সড়কের পাশে থাকা একটি কবরস্থানকে সম্মান দিতে গিয়ে সড়কটি একটু বেশি খালের দিকে নিতে হয়েছে। যার কারণে সড়কের একটি অংশ ধসে গেছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক এস এম রফিকুল ইসলাম, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ ভুঁইয়া, এলজিইডির ঢাকা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বাবুল আখতারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রসঙ্গত, তিন মাসেই ধস ৯ কোটির সড়কে এই শিরোনামে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসে। উপজেলার বাসিন্দাদের জেলায় সহজ যাতায়াতের জন্য ২০২১ সালে রাজাবাড়ি থেকে প্রহলাদপুর ইউনিয়নের দমদমা পর্যন্ত সাড়ে ৫ কিলোমিটার পাকাসড়ক নির্মাণের দরপত্র আহবান করা হয়। মেসার্স সালাম ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজের অনুমতি পায়। ২০২৪ সালে নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা থাকলেও নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০২৬ সালে। সূতি নদী ঘেঁষে যাওয়া সড়কের চিনাশুকানিয়া গ্রামের একটি বিশাল অংশ ইতিমধ্যে দেবে গেছে। ফাটল দেখা দিয়েছে কয়েকটি পয়েন্টে। নদীর তীর বসানো ব্লক ইতিমধ্যে ভেঙে এলোমেলো হয়ে নদীতে চলে যাচ্ছে।