ঢাকা | শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরঞ্জের হাওরে অতিরিক্ত বৃষ্টিতে গ্রাম ভেঙ্গে নদীতে পড়ছে, দিশেহারা নদীর পাড়ের মানুষ

author
বাজিতপুর-নিকলী কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৩২
ad003
কিশোরগঞ্জের ৬টি উপজেলা হাওর অধ্যুষিত। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আরও তিনদিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। গত তিনদিনে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৪৪-৮৮ মিলিমিটার। বাজিতপুর উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন নদীর পাড়ে হাজার হাজার মানুষ বাস করেন। 

এরমধ্যে আছানপুর, শিবপুর, বোয়ালী, মাইজচর ইউনিয়নের বাহেরবালী, আয়নারগোপ, মাইজচর, পুরাকান্দা ও বলিয়ার্দী ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামগুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে। এদের মধ্যে নদীর পাড়ের জেলে সমাজ থেকে শুরু করে নি¤œ আয়ের মানুষ গত ৩০ বছরে প্রায় ৫০০-৬০০ পরিবার বাড়িঘর হারিয়ে কেউ নিজস্ব পেশা ছেড়ে দিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বিভাগীয় অঞ্চলে সি.এন.জি, রিকশা, শ্রমিক ও অন্যান্য পেশায় পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। 

এছাড়া পৌর শহরের রাবারকান্দি হতে শাহপুর পর্যন্ত রাস্তা ভেঙ্গে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে রাবারকান্দি-হাসপাতাল রোডের অবস্থা খুবই বেহাল। একটু বৃষ্টি হলেই হাটু পানি পর্যন্ত হয়ে যায়। পৌর প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসন এদিকে কোনো নজরই দিচ্ছে না। এদিকে নিকলী উপজেলার ছাতিরচর, শিংপুরসহ আশেপাশের গ্রামগুলোতে সরকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে দেয়াল নির্মাণ করলেও তা আস্তে আস্তে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। 

এছাড়া কুলিয়ারচর উপজেলার একাংশ গ্রামগুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে। জানা যায়, এই সব উপজেলার সদরসহ বিভিন্ন গ্রামে অপরিকল্পিত বাড়ি নির্মাণ করার কারণে পানি জমে সাধারণ মানুষ পানি বন্ধির মতো হয়ে রয়েছে বলে এলাকার মধ্যে ধু¤্র জালের সৃষ্টি হয়েছে। 

বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জালাল উদ্দিন বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, এ বিষয়ে বৃষ্টি শেষ হলে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবেন বলে উল্লেখ করেন। 
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT