ঢাকা | শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রূপাপাত ইউনিয়নে বিএনপির সম্মেলনে দুই সভাপতি প্রার্থীর সমর্থকদের মারামারি

জেলা বিএনপির নির্দেশনা ছাড়াই বোয়ালমারী উপজেলায় কর্মী সম্মেলনের অভিযোগ

author
যাযাদি রিপোর্ট

প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৪৮
ad003
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রূপাপাত ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনে সভাপতি পদে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মারামারি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। 

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে রূপাপাত ইউনিয়নের সুতালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির এই ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির পদে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কদমী গ্রামের আবুল কালাম মিয়া ও উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য কাটাগর গ্রামের বাসিন্দা ও মো. বিশু মোল্লা প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

ইউনিয়ন বিএনপির নেতারা জানান, বেলা তিনটায় সম্মেলন শুরুর আগে দুই সভাপতি প্রার্থী মো. বিশু মোল্লা ও আবুল কালাম মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে কথা–কাটাকাটি হয়। এর জেরে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি এবং এক পর্যায়ে ধাওয়া পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হন। এ সময় চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে উপস্থিত নেতারা উভয় পক্ষের কর্মী–সমর্থকদের শান্ত করলে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. বিশু মোল্লা বলেন, ‘সম্মেলন বিদ্যালয়ের কক্ষে হয়েছে। বাইরে পোলাপান মারামারি করেছে। কালাম মিয়া অন্য ইউনিয়ন থেকে তাঁর সমর্থকদের এনেছিল। তারা এই এলাকার লোকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা থেকে এ মারামারি হয়েছে।’

তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি কালাম মিয়ার। তিনি বলেন, যাঁরা ঝামেলা করেছে, তাঁরা বাজে ছেলে। সম্মেলন সম্পূর্ণ সফলভাবে শেষ হয়েছে।

বোয়ালমারি উপজেলার বিএনপি’র সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, বড় ধরনের কোন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। আমরা মৌখিকভাবে জেলা বিএনপির কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছিলাম এবং মৌখিকভাবে দাওয়াতও দিয়েছি। 

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা জানান, সম্মেলন শুরু হওয়ার আগে দুই সভাপতি প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি নিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও হাতাহাতি হয়। খুব বড় ধরনের কিছু না। পরে শান্তিপূর্ণভাবে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেরস আলী ইসা বলেন, বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপি’র সম্মেলন করার কোনা অনুমতি দেওয়া হয়নি। জেলা বিএনপি’র অনুমতি ছাড়াই তারা সম্মেলন করেছে। সম্মেলনটির বিষয়ে আমরা অবগত না। 

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম। সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা প্রমুখ।

সম্মেলনের পর কমিটি ওখানে ঘোষণা করা হয়নি। তবে এ সম্মেলনে যাঁরা সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদের প্রার্থী ছিলেন, তাঁদের বক্তব্য নেতারা শুনে গেছেন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, বোয়ালমারীর একটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের কমিটি একসঙ্গে উপজেলা বিএনপি ঘোষণা করবে।

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল-এর আহ্বায়ক সদস্য মোঃ  ইলিয়াছ হোসেন ফকির সোস্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন, আমি ফরিদপুর জেলা বিএনপি'র সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে আজকে যতটুকু জেনেছি যে জেলা বিএনপি থেকে কোনো নির্দেশনা ছাড়াই কে - বা কাহারা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের  জন্য, বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্মেলন করে আসছে সেই নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলের ধারাবাহিকতায় আজকে আমার জন্মস্থান রুপপাত ইউনিয়নে একই কাজ করেছে, স্থানীয় বিএনপি'র  লোকজনের কাছে শোনা যায় আওয়ামী লীগের লোকজনদের সামনে বসিয়ে প্রোগ্রাম করেছে যেটা কোনভাবেই স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মি মেনে নিতে পারেনি। তাই সেখানে একপর্যায়ে হাতাহাতি ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ও বাংলাদেশের বর্তমান প্রাধান মন্ত্রী বিএনপি'র  চেয়ারম্যান জনাব, তারেক রহমানের ছবিসহ ব্যানার  পেস্টুন মাঠিতে পদধুলী করেছে যা  অত্যন্ত দুঃখ জনক। এটা কোন ভাবেই কাম্য নয় তা ছাড়া বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারতো তাহলে এর দ্বায়ভার কে নিতো ?  ফরিদপুর জেলা বিএনপি'র সিনিয়র নেতৃবৃন্দের কাছে বিনয়ের সাথে বলতে চাই যে এর সাথে যাহারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা  নেওয়ার জন্য উদারত্ব আহবান জানাচ্ছি ।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT