হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জে ৯ নং বাউসা ইউনিয়নের ৯৬ নং দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে দ্বন্দ্ব। নিয়মের তোয়াক্কা না করেই গ্রামের একটা মহল নারী নির্যাতন মামলার আসামি মোছা : সুমি বেগম নামের এক অভিভাবক সদস্যকে সভাপতি নির্বাচন করতে তোড়জোড় করছে। অথচ নিয়ম বলছে তার সভাপতি হওয়ার যোগ্যতাই নেই। তার সন্তান নিয়মবহির্ভূতভাবে একইসাথে দুটো প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছে। মোছা : সুমি বেগমের নামে হবিগঞ্জ দায়রা জজ আদালতে ১১/গ (ধারায়) নারী নির্যাতনের মামলাও রয়েছে। যে মামলায় তাকে ৩ নম্বর আসামিও করা হয়েছে।
গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বাবু রাখাল চন্দ্র দাস যোগ্যতা এবং পরিপত্র অনুযায়ী সভাপতি হওয়ার যোগ্যতা রাখলেও ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ নুরুল মিয়া এবং কতিপয় দালালদের চাপের কারণে তাকে সভাপতি নির্বাচন করতে পারছেন না বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহের। বিভিন্নভাবে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলা হয়েছে কোনভাবেই যেন রাখাল চন্দ্র দাস সভাপতি হতে না পারেন।
এমন পরিস্থিতিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পরামর্শে আগের এডহক কমিটি পুর্নবহালের সিদ্ধান্ত নেন প্রধান শিক্ষক আবু তাহের। কিন্তু সে সিদ্ধান্ত জানাজানি হওয়ার পরে বিভিন্নভাবে তার উপর চাপ প্রয়োগ করছে সুমি বেগম এবং নুরুল মেম্বার।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহেরের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।