ঢাকা | রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আদিবাসীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হতে হবে

author
যাযাদি ডেস্ক

প্রকাশিত : ২৯ জুলাই, ২০২৬ ভোর ৪:৫০
ad003
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কথা বলতে হবে, সোচ্চার হতে হবে, নিজেদের দাবি-দাওয়া সামনে আনতে হবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বাস্তবায়নাধীন ‘বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬’ অর্থবছরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মাঝে বরাদ্দকৃত ঘরের বরাদ্দপত্র, সেলাই মেশিন, বাইসাইকেল ও শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি এটা চায় এবং তারই উদাহরণ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতি সন্তান আদিবাসী উদ্ভূত নারী নেত্রী আন্না মিঞ্জকে এমপি মনোনীত করা হয়েছে। বিএনপি এভাবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পাহাড়িসহ সব পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে প্রতিনিধি নির্বাচন করেছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিগত ১৫-১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনে দেশের সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারকে সবকিছু নতুন করে শুরু করতে হচ্ছে। তবে সেখান থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বিএনপি অনেকগুলো যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়ন ও দারিদ্র্য দূরীকরণ, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষককে উঠে দাঁড়াতে সহযোগিতা এবং শুকিয়ে যাওয়া নদী-খাল কেটে খরার মৌসুমের কৃষির জন্য পানি সংরক্ষণ-এসব তার মধ্যে অন্যতম।

আদিবাসীদের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ১০০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী আদিবাসীদের মধ্যে থেকে উদ্যোক্তা তৈরি করে তাদের উন্নয়ন করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, আদিবাসীদের জমি যেন কেউ জোর করে কেড়ে নিতে না পারে, সেজন্য সতর্ক দৃষ্টি রাখা হবে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক রফিকুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খায়রুল ইসলাম, জেলা বিএনপি সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মধ্যে ১০ জনকে ৪৫ লাখ ৭৫ হাজার ২৮৫ টাকা ব্যয়ে বসতঘর, ৪৯ জনকে ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৫ টাকা ব্যয়ে বাইসাইকেল, ৩৩ জনকে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ২৩১ টাকা ব্যয়ে সেলাই মেশিন এবং ৩২৬ জনকে ১৪ লাখ ৩৪ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। এতে সর্বমোট ৪১৮ জনের মধ্যে ৬৯ লাখ ৭৪ হাজার ১ টাকার সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT