৩ এপিবিএন, খুলনার সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অভিযানে জুলাই মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হারিয়ে যাওয়া ১১০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং বিকাশ প্রতারণার শিকার একাধিক ভুক্তভোগীর ৩৮ হাজার ৪০০ টাকা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি সাইবার প্রতারণা মামলায় একজন প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
৩ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীন-এর নির্দেশনায় গঠিত অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিট অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, হারানো মোবাইল ফোন শনাক্ত, ফেসবুক ও অনলাইন প্রতারণা প্রতিরোধে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।
অধিনায়কের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার জি. এম. আবুল কালাম আজাদ (পিপিএম), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসিন আলী ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. আলী নওয়াজ-এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও মামলার সূত্র ধরে এসব মোবাইল ও অর্থ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা ১১০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ৩৮ হাজার ৪০০ টাকা বুধবার প্রকৃত মালিকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীন।
এ ছাড়া সাইবার স্পেসে সংঘটিত প্রতারণার একটি মামলার তদন্তে একজন সাইবার প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন, ছয়টি সিম কার্ড এবং প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।
মোবাইল ফোন ও উদ্ধারকৃত অর্থ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অধিনায়ক এম. এম. সালাহউদ্দীন বলেন, “জনসাধারণের ইতিবাচক সাড়া ও সহযোগিতা পেলে আমরা আরও বেশি ভুক্তভোগীকে আইনি সেবা প্রদান করতে সক্ষম হব।
৩ এপিবিএন সূত্র জানায়, সাইবার অপরাধ দমন এবং প্রতারণার শিকার মানুষের হারানো সম্পদ দ্রুত উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে তাদের সাইবার ক্রাইম ইউনিট নিয়মিতভাবে প্রযুক্তিনির্ভর অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।