ঢাকা | শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে ২০ বিসিআইসি সার ডিলারের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা

author
শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ২৯ জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০৩
ad003
শেরপুরে  ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিসিআইসি সার ডিলারের বিরুদ্ধে  মামলা   করেছেন  শেরপুর থেকে  চট্রগ্রামের পটিয়া উপজেলায় বর্তমানে বদলিকৃত  সাবেক শেরপুরের  অতিরিক্ত কৃষি  কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন  ।

জানা যায়  শেরপুরের  সাবেক অতিরিক্ত কৃষি  কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন  সাক্ষরিত সদর থানায় মামলা নং৫৯ তাং ২২-০৭-২০২৬ ইং ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে এর ২৫ (১) মোতাবেক ।

শেরপুর সদর উপজেলায় সরকারি সার বরাদ্দে অনিয়ম, কালোবাজারে বিক্রি এবং সরকারের কোটি কোটি টাকার ক্ষতির অভিযোগ ।

এবং অভিযুক্ত ডিলাররা সরকারি বরাদ্দের সার অধিক মুনাফার আশায় কালোবাজারে বিক্রি করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেন। এতে সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ বলা হয়েছে।

গত ২৪ জুন অতিরিক্ত  কৃষি  কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন ও কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জাহান কৃষি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায়  শেরপুর শহরের নিউমার্কেট, রঘুনাথ বাজার, নতুন বাসস্ট্যান্ড সহ সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শন করেন। এ সময় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬–এর ৯(২) ধারা অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ে। পরে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের রেজিস্টার ও বিক্রির ক্যাশ মেমো জব্দ করে কৃষি বিভাগ । পরে  তাদের অনুষন্ধানে  অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 মামলায় উল্লিখিত সরকারি বরাদ্দের ৪ হাজার ৪১২ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার (মূল্য প্রায় ১১ কোটি ৯১ লাখ ২৪ হাজার টাকা), ৮২১ মেট্রিক টন ডিএপি সার (মূল্য প্রায় ১ কোটি ৭২ লাখ ৪১ হাজার টাকা), ১৩৪ মেট্রিক টন টিএসপি সার (মূল্য প্রায় ৩৬ লাখ ১৮ হাজার টাকা) এবং অন্যান্য সার বাবদ প্রায় ৩৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনিয়ম হয়েছে। 

সরকারি নির্ধারিত মূল্যের পরিবর্তে বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃষকদের ভোগান্তিতে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরই মধ্য্ ২১-০৬-২০২৬ ইং তারিখে শেরপুর সদর উপজেলার কামারেরচর বাজারে প্রোঃ ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ( মের্সাস বাদশা ট্রেডাস) তার নিজস্ব খুচরা ডিলার ব্যতীত- বিল্লাল নামে এক মুদি দোকানীর কাছে ৩০০ বস্তা ইউরিয়া সার বিক্রয় করার অভিযোগ ওঠে। এবং নীতিমালা-২০০৯ অনুযায়ী সম্পূর্ন্ অবৈধ ।এ বিষয়ে ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ( মের্সাস বাদশা ট্রেডাস) নামে   উপজেলা সার বীজ মনিটরিং কমিটি একটি সতর্কীকরন নোটিশ করেন ।

 অভিযুক্ত ডিলারগন—মো. রাসেদুল ইসলাম, সুফিয়া বেগম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, মীর ট্রেডার্স্  মরিয়ম আক্তার মুন্নি, মো. ফরহাদ আলী, ইলিয়াস আলী, তাপস নন্দী, কামরুন নাহার হাসেম, সিরাজুল ইসলাম, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী, বোরহান উদ্দিন, রেজাউল করিম, মাজাহারুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. রতন মিয়া এবং মো. বাদশা মিয়া।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি শেরপুর সদর থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে নথিভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া তদন্ত শেষে গত ২২ জুলাই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে।

এবিষয়ে অতিরিক্ত  কৃষি  কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি  বর্তমানে চট্রগ্রামের পটিয়া  উপজেলায় কর্মরত আছি  । এ বিষয়ে কথা হলে তিনি বলেন  অভিযুক্ত ডিলাররা সরকারি বরাদ্দের সার অধিক মুনাফার আশায় কালোবাজারে বিক্রি করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেন। এতে সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলেন ।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SH.AL

SH.AL

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT