দক্ষিণ আফ্রিকার একটি সুপারশপে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সদরের ৫ জনের মরদেহ দ্রুত দেশে আনাসহ সকল ধরনের প্রশাসনিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন।
ইউএনও নিজে আলীরটেক ইউনিয়নের ক্রোকেরচর গ্রামে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ কথা জানান।
এসময় ইউএনও বলেন, এখন পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে নিহতদের আনুষ্ঠানিক তালিকা পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ৪ জন এবং বক্তাবলী ইউনিয়নের ১ জন এই ঘটনায় মারা গেছেন।
তিনি আরও বলেন, “প্রবাসী কল্যাণ শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করেছি। স্থানীয়ভাবে পাওয়া তথ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। দূতাবাস থেকে আনুষ্ঠানিক তথ্য আসার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা হবে।”
ইউএনও জানান, মরদেহ দেশে আনা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত এবং প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের প্রক্রিয়ায় পরিবারগুলোকে সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ শাখার সহকারী পরিচালকের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে।
তিনি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। যাতে প্রশাসনিক কোনো জটিলতার মুখে পরিবারগুলোকে পড়তে না হয়।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি সুপারশপে ভয়াবহ আগুন লাগে। এতে ৬ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে ৫ জনই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা। নিহতদের মধ্যে ৪ জন আলীরটেক ইউনিয়নের এবং ১ জন বক্তাবলী ইউনিয়নের।
দূতাবাস থেকে আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়ার পর মরদেহ আনার পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।