ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (১ আগস্ট) সকালে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার বাগড়া গ্রামে ও পার্শ্ববর্তী নানদাইল উপজেলার চরমহিশকুড়া গ্রামে পৃথক এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহরা হলেন- দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার লংগাইর ইউনিয়নের বাগরাপাড়া গ্রামের রইস উদ্দিনের ছেলে মো. রাতুল (১৯) এবং নান্দাইল উপজেলার চরমহেশকুড়া গ্রামে ফেরদৌস আলমের ছেলে বাদল মিয়া(৪৯)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে পাগলা থানার লংগাইর ইউনিয়নের বাগরাপাড়া গ্রামের রমিজ উদ্দিনের ছেলে মো. রাতুল একটি স্থানীয় মৎস্য খামারে কর্মরত ছিলেন।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে ফিশারিতে মাছের খাদ্য দিতে যান। এ সময় অসাবধানতাবশত মৎস্য খামারের বিদ্যুৎতের তারে জড়িয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে স্বজনরা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে, একই দিন সকাল ১০টার দিকে পার্শবর্তী নান্দাইল উপজেলার চরমহেশকুড়া গ্রামের ফেরদৌস আলমের ছেলে বাদল মিয়া (৪৫) কৃষি জমিতে পানি দিতে সেচ পাম্পের মোটরের সুইচ দেন । এ সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় ।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নিহত রাতুলের চাচা আনিসুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ফিশারিতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হলে এমন দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো।
গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাসরিন সুলতানা মুন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন নিহতের হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়।
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহতের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে ।