সন্ত্রাসী যত বড়ই হেক ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো: মাসুদুল আলম মাসুদ।
রবিবার (২ আগষ্ট) সীতাকুণ্ড উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের ভাটেরখিল এলাকায় সাম্প্রতিক ঘটেয়াওয়া মাদক কান্ডে হত্যান্ডের পর এলাকাবাসীকে নিয়ে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি একথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, একটা লোক সমাজে চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসী,মাদক ব্যবসা ও অপরাধ কান্ড সংগঠিত করছে। একটা কিশোরকে মেরে ফেললো, তাও আপনারা কেউ সমাজের লোকজন থানায় যাননি। কেন যাননি নিশ্চয় ভয়ে? কিশোর মৃত্যুর পর বিষয়টি এক ছাত্র প্রথমে আমাকে ম্যাসেজে অবগত করে। এরপর আমি বিষয়টি অ্যাডিশনাল এসপির রাসেল ও সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসিকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে আমাকে আপডেট দিতে বলি এবং সে কত বড় মাস্তান আমি দেখবো। পুলিশও সাথে সাথে বিষয়টি নিয়ে অ্যাকশন শুরু করে। পরে তো যদিও আইন বহির্ভূত কাজটি হয়ে গেল। আমরা এখানে আসছি,সমাজে যাতে আর এসব অপরাধ সংগঠিত না হয় সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সমাজের সকল অপরাধের গডফাদার হল এই মাদক।
তিনি আরো বলেন,"চট্টগ্রাম জেলায় আনোয়ারা এলাকায় একটি ছেলে পরিবারের অজান্তে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। এরপর মাদক থেকে ফিরিয়ে আনতে এই ছেলেকে চিকিৎসার জন্য তাঁর পিতা-মাতা ভারত পর্যন্ত নিয়ে গেছে। পরে কিছুদিন মাদকাসক্ত(রিহ্যাব সেন্টার)ও রেখেছিল। পরিবার তাঁকে মাদক থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেনি। সর্বশেষ সেই ছেলেটি মাদকের টাকার জন্য নিজ মাকে কাস্তি দিকে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। একইভাবে পিতাকেও কাস্তি দিয়ে মেরে ফেলে। আমরা পুলিশ আপনাদের সাথে রয়েছি। সন্ত্রাসী যত বড় হোক আপনারা থানায় আসবেন অভিযোগ ও মামলা করবেন। বাংলাদেশ পুলিশ আপনাদের সাথে রয়েছে।"
সীতাকুণ্ড উপজেলার ৪নং মুরাদপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য এজাহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও আইনুল হক রিপনের সঞ্চালনায় দক্ষিণ ভাটেরখীল মসজিদের সামনে এ বেঠক অনুষ্টিত হয়। আরো সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম) সিরাজুল ইসলাম,মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহিনুল ইসলাম,ওসি তদন্ত মোহাম্মদ আলমগীর ও মুরাদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. শহিদুল ইসলাম। উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছালে আহাম্মদ বলি,নাসির উদ্দিন জসিম, মোঃ রাশেদ,তৌহিদ,সন্ত্রাসী ইরান কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত সালাউদ্দিনের স্ত্রী জান্নাত,হানিফ মিস্ত্রি,হাসিনা বেগম,শাহিনুর আক্তার,নার্গিস সুলতানা,পারভিন আক্তার ও মোঃ ইমরান হোসেন। এ সময় সমাজের শত শত লোকজন উপস্থিত ছিলেন।