একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সদিচ্ছা থাকলে উন্নয়ন কার্যক্রম থেকে শুরু করে জনগনের চাওয়া পাওয়া অনুযায়ী সবকিছু করতে পারে,তারই প্রমাণ দিলেন বরগুনার আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: রোকনুজ্জামান খান।
বরগুনা জেলা ও দক্ষিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহত্তম উপজেলা আমতলী। অথচ স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এখানে নির্মিত হয়নি শহীদ মিনার, স্মৃতি স্তম্ভ ও মুক্ত মঞ্চ। সেই সাথে পরিষদের সভা করার মিলনায়তনটিও ছিল পরিত্যক্ত এবং শিশু পার্কটি পরিনত হয়েছিল গরু ছাগলের চারনভূমতে।
গত ১৩ই মে ২০২৫ তারিখে রোকনুজ্জামান খান যোগদানের পর প্রথম সভায় উপজেলার সকল শ্রেনী পেশার মানুষ ও সাংবাদিকরা তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ এসব বিষয়ে নিয়ে দাবি জানান। তিনিও সকলকে প্রতিশ্রুতি দেন স্বল্প সময়ের মধ্যে স্থাপনা গুলো নির্মাণ ও সংস্কারের ব্যবস্হা গ্করহন করবেন। তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তিনি উদ্যোগ গ্রহন করলেন উপজেলা পরিষদ চত্বরে ৩টি স্থাপনা নির্মাণ করার । ইতোমধ্যে উপজেলা পরিষদ মাঠের পূর্ব পাশে নতুন করে নির্মিত শিশু পার্কটি উদ্বোধন করা হয়েছে। বাকী তিনটিও প্রায় দৃশ্যমান।
সদালাপী, মানবিক দায়িত্বশীল ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসাবে ইতিমধ্যে রোকনুজ্জান খান উপজেলার সকল শ্রেনী পেশার মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব অফিসার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।